ওষুধের ব্যবহার

লিভোস্টার সিরাপ এর কাজ

লিভোস্টার সিরাপ এবং ট্যাবলেট রয়েছে দুইটাই অনেক বেশি কার্যকারী এবং এটা ছোট ও প্রাপ্তবয়স্ক সকলের সেবন করতে পারেন। পিডি হাঁপানি অ্যাজমা রোগের নিরাময়ের জন্য লিভোস্টার একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধক। এই ওষুধটি ফুসফুসের প্রদাহ এবং অন্যান্য অবস্থার সংকোচনের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ব্রঙ্কিওয়াল টিউবের মসৃণ পিসি গুলি ঝিমিয়ে কাজ করে এবং এইভাবে মারাত্মক আক্রমণের ক্ষয়ক্ষতি বা বিপর্যয়কে সহায়তা করে। এভাবেই ফুসফুসের যে কোনো সমস্যার জন্য এই ওষুধলিভোস্টার ওষুধ সেবনের ফলে আপনাকে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবএটি কাজ করে। 

এই ওষুধটি যেকোনো ফার্মেসিতে আপনারা সব সময় পেয়ে যাবেন। ছোট বাচ্চাদের ফুসফুসের যে কোন সমস্যার জন্য এটা ব্যবহার করা যায় এবং যখন বাচ্চাদের হাঁপানি এজমা রোগের সমস্যা দেখা দেয় তখন লিভোস্টার সিরাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিটা ওষুধের মতো এটারও বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে যেগুলো মেনে চলা খুব বেশি জরুরী। যে কোন বয়সের মানুষ সিরাপ গ্রহণ করতে পারবেন তারা হলো ৫ থেকে ১০ মিলি দৈনিক তিনবার বয়স্কদের জন্য। শিশুদের ৬ থেকে ১১ বছরের ক্ষেত্রে ৫ মিলি দৈনিক তিনবার অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের এই ওষুধটি সেবন করতে হবে। যারা ট্যাবলেট ব্যবহার করবেন 12 বছর ও তার ঊর্ধ্বে এক থেকে দুই মিলিগ্রাম দৈনিক তিনবার এবং ৬ থেকে ১১ বছরের শিশুরা দৈনিক তিনবার ট্যাবলেট ব্যবহার করতে পারবেন। 

তবে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন আপনি যখন এই সকল ওষুধ সেবন করবেন তখন অনেকদিন ধরে আপনাকে ওষুধ গ্রহণ করতে হবে কারণ হাঁপানি বা অ্যাজমার রোগের জন্য এই সকল ওষুধগুলো সেবন করা হয় আর এই সকল ওষুধ গুলো খুব সহজে ভালো হতে চাই না যখনই আপনার একটু অনিয়ম হবে ঠিক তখনই আবার আক্রান্ত হয়ে পড়বেন সেজন্য এই সকল ওষুধগুলো সব সময় আপনার কাছে রাখার প্রয়োজন এবং যখন বুঝতে পারবেন যে আপনার সমস্যাটা বৃদ্ধি পাচ্ছে তখন আপনি খেতে পারেন। 

এজমা বা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট রোগীদের অনেক সতর্ক থাকতে হয় এবং সব সময় তাদের এ সকল সমস্যার নিরাময় কাছে রাখতে হয় কারণ হঠাৎ করে যখন আক্রান্ত হয়ে পড়বেন তখন যদি কোথাও এই সকল ওষুধগুলো না পান সেজন্য কাছে রাখা লাগবে তবে ওষুধের মেয়াদ আছে কিনা সেগুলো দেখে ওষুধ সেবন করতে হবে।ওষুধ সেবন করা উচিত নয় সেজন্য সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে এবং ডাক্তারের প্রেসক্রাইব করা ওষুধটি সেবন করতে হবে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি রোগ ভালো হবে। এই সকল ওষুধের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে যেগুলো মেনে না চললে আরো নানারকম রোগের সৃষ্টি হতে পারে এবং ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আরও বেশি সমস্যা হতে পারে। এই ওষুধ অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বা অনিয়মিত ব্যবহারের ফলে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন কাঁপুনি এবং মাংসপেশির সংকোচন হতে পারে অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব বমি এপি গ্যাসট্রিক ব্যথা এবং ডায়রিয়া। 

এই ওষুধগুলো সেবনের ফলে আপনার এই সমস্যাগুলো দেখা দিবে তার জন্য আপনাকে ভালোভাবে ওষুধগুলো সেবন করতে হবে এবং তার নিয়ম মেনে চলতে হবে। যখন লিভোস্টার ওষুধের সেবন করবেন এবং ওষুধ চলাকালীন অবস্থায় আপনার এই সকল সমস্যাগুলো দেখা দেবে তখন আপনাকে বুঝতে হবে ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ফলে এই সকল সমস্যাগুলো হচ্ছে সেজন্য তখন আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা লাগতে পারে। কারণ যখন অতিরিক্ত এই সকল সমস্যাগুলো আপনার হতে থাকবে তখন আপনি আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়বেন সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে। 

অনেক সময় নানা রকম মেডিসিন গ্রহণ করা হয় রোগ ভালো করার জন্য কিন্তু এই সকল মেডিসিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ফলে আবার নানা রকম রোগের সৃষ্টি হয় এবং মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে সেজন্য সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। হঠাৎ করে যে কোন রোগের জন্য যেকোনো ওষুধ গ্রহণ করা যাবে না আবার সকল রোগের জন্য সকল ডাক্তারের কাছে যাওয়া যায় না সেজন্য আপনার যে রোগ হয়েছে সে ডাক্তারের কাছে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করলে আপনি সুস্থ হতে পারবেন। যখন আপনি ডাক্তারের পরামর্শ এই সকল ওষুধগুলো সেবন করবেন তখন কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হবে না এবং এই সকল ওষুধের ডোজ পরিপূর্ণ করে সেবন করলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যেতে পারবেন সেই জন্য সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। 

আরো দেখুন

সম্পর্কিত লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *