AA রক্ত সংক্রান্ত

বাচ্চার কাশির সাথে রক্ত বের হওয়া কিসের লক্ষণ ও প্রতিকার

বাচ্চার কাশির সাথে যখন রক্ত বের হয় তখন নানা রকম চিন্তা মাথায় চলে আসে এবং এই ধরনের সমস্যাকে অবহেলা করাও উচিত নয়। ছোট বাচ্চারা যেটা করবে সেটাতেই তাদের সমস্যা তাদের কখন ঠান্ডা লাগবে কখন গরম লাগবে সেখান থেকে নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি হয়ে যায়। তাই তাদের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হয়। তবে যখনই আপনারা দেখবেন যে বাচ্চার কাশির সাথে রক্ত বের হচ্ছে তখন যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে এবং চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। 

কারণ কাশির সাথে রক্ত নানারকম কারণে হতে পারে যেমন যথা হলে হতে পারে ফুসফুসের সমস্যা হলে হতে পারে আবার পেটের কোন সমস্যা হলেও রক্ত বের হতে পারে। সেজন্য এরকম কোন লক্ষণ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। কাশি সঙ্গে রক্ত গেলে আতঙ্কিত হওয়ারই কথা কাশতে কাশতে রক্ত যাওয়া মানেই যক্ষা ধারণাটি কিন্তু ঠিক নয়। যদিও আমাদের দেশে যক্ষার হার অনেক বেশি এবং কফ এর সঙ্গে রক্ত গেলে রক্ষা পরীক্ষা করা জরুরী তবুও ভুলে গেলে চলবে না যে যক্ষা ছাড়াও আরো অনেক রকম সমস্যা হতে পারে। 

দীর্ঘদিন ধরে যদি ছোট বাচ্চাদের কাশি থাকে এবং চিকিৎসা না করে তাহলে তাদের সেই কাশি থেকে রক্ত বের হতে পারে কারণ ছোট বাচ্চাদের ধারণক্ষমতা অনেক বেশি কম থাকে সেজন্য তারা কাশতে কাশতে ভেতর থেকে রক্ত বের করে ফেলে। শিশুদের নানা রকম কাশি হতে পারে যেমন শুকনো কাশি সিক্ত কাশি কফ সহ কাশি ইত্যাদি। তবে এর মধ্যে যখনই দেখবেন যে আপনার বাচ্চার ঠান্ডা লেগেছে এবং সে নিঃশ্বাস নিতে পারছে না তার কাশি হচ্ছে কাশির সাথে কফ পড়ছে তখন আপনাকে হাসপাতালে গিয়ে ভালোভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে। 

তাকে নিঃশ্বাসের জন্য নেবুলাইজারের ব্যবস্থা করে দিতে হবে কারণ ছোট বাচ্চারা তাদের সমস্যার কথা বলতে পারে না কিন্তু আস্তে আস্তে তাদের সমস্যাটা এত বৃদ্ধি পেয়ে যায় যেন তাদের কঠিন অবস্থা চলে যায়। সেজন্য বাচ্চাদের প্রতি বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। যখন বাচ্চাদের সর্দি বা ইনফ্লুয়েঞ্জা জনিত সংক্রমণ থেকে ভাঙ্গা কাশি হয় তখন তাকে শুকনো কাশি বলে। আপনি লক্ষ্য করতে পারেন যে এ ধরনের কাশি উচ্চ তাপমাত্রায় বা সন্তানের ঘুমানোর সময় খারাপ আকার ধারণ করে। 

শুকনো কাশি হলে বাচ্চারা কাশতেই থাকে এবং সেই কাশি থামতে চায় না যার ফলে বাচ্চাদের অনেক কষ্ট হয়। আবার যখন ফুসফুস ও শ্বাসনালী দিয়ে গঠিত নিচের শ্বাস পথে ও তরল সর্দি জমা হয়ে থাকে তখন তাদের শ্বাস নিতে সমস্যা হয় এবং তাদের শ্বাসকষ্ট হয়েছে এমনটা মনে হয়। সেজন্য আপনার বাচ্চাকে সব সময় সাবধানতার মধ্য দিয়ে বড় করবেন কারণ যখনই তার একটু ঠান্ডা লাগবে বা জ্বর হবে সর্দি হবে তখনই তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করান।

অনেক সময় অনেক মানুষ  বাচ্চার কাশি হবার পরে ফার্মেসি থেকে যেকোনো ওষুধ এনে খাওয়ায়। অনেক সময় এ সকল ওষুধ খেয়ে কাশি ভালো হয়ে যেতে পারে তবে যদি তিন সপ্তাহের বেশি রক্ত কাশী পড়তেই থাকে তখন আপনি ঘরে বসে না থেকে ডাক্তারের কাছে যাবেন। অনেক সময় বাচ্চাদের যখন চক্ষা হয় তখন এই ধরনের সমস্যা বা লক্ষণ দেখা দেয়। যক্ষা হলে কাশির সাথে রক্ত বের হয়। 

তাই যদি আপনার মনে কোন রকম সন্দেহ জাগে তাহলে আপনি আপনার বাচ্চাকে যক্ষা পরীক্ষা করান এবং সঠিকভাবে পরীক্ষানিরীক্ষা করার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কেন তার এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে তাই ঘরে বসে থেকে যত দ্রুত সম্ভব আপনি চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন তাহলে আপনার বাচ্চা সুস্থ থাকতে পারবে। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাদের সুবিধার জন্যই এই আয়োজনটি করেছি এখান থেকে আপনারা সকল তথ্য সংগ্রহ করে গ্রহণ করতে পারবেন।এই সকল তথ্যগুলো প্রতিটা মানুষের জানা প্রয়োজন।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published.