ওষুধের ব্যবহার

পিল খাওয়ার নিয়ম

আপনারা অনেকে রয়েছেন যারা অনাকাঙ্ক্ষিত প্রেগনেন্সি নিয়ে নানা রকম চিন্তায় পড়ে যান তাদের জন্য আমাদের ওয়েবসাইটের এই আয়োজনটি করা আপনারা এখানে পেয়ে যাবেন পিল খাওয়ার সঠিক নিয়ম এবং কোন পিল খেলে আপনার তাড়াতাড়ি কাজ হবে সেই সকল বিষয়গুলো আপনারা জানতে পারবেন সেজন্য আমাদের লেখাগুলো মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। 

অনাকাঙ্ক্ষিত প্রেগনেন্সির জন্য যে সকল পিল খাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে নানা রকম পিল রয়েছে যেগুলো শরীরের ওপর ভিত্তি করে আলাদা আলাদা ভাবে খেতে হয়। তবে এই সকল পিল খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলো নিয়ম করে না খেলে কাজ কম হবে এবং আপনাকে নানা রকম দুশ্চিন্তার মধ্যে ফেলে দিবে অনেক সময় পিল খাওয়ার নিয়মে ভুল হলে বেবি কনসিভ হয়ে যায় সেজন্য আপনাকে সঠিক নিয়ম জানতে হবে এবং কোন পিলটি সবথেকে ভালো কাজ করবে সে সকল বিষয়েও জানতে হবে। 

প্রথমে আপনাকে যে বিষয়টি জানতে হবে অরক্ষিত মিলনের পর যত দ্রুত সম্ভব আপনাকে একটি পিল সেবন করতে হবে। সাধারণত ৭২ ঘণ্টা থেকে ১২০ ঘন্টার মধ্যে যেকোনো সময় আপনি পিল খেতে পারবেন। পিল খাওয়ার মাধ্যমে আপনার অনিয়ন্ত্রিত প্রেগনেন্সি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে এবং আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন যদি আপনি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিল গ্রহণ না করেন তাহলে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। এমার্জেন্সি পিলের আরেক নাম মর্নিং আফটার পিল। 

এই পিলের নাম মর্নিং আফটার পিল তার জন্য এইটা নয় যে এটা প্রতিদিন সকালবেলা খেতে হবে। অরক্ষিত মিলনের পর আপনি যত তাড়াতাড়ি এই বিল গ্রহণ করবেন তত বেশি ভালো সেজন্য এটাকে মর্নিং আফটার পিল বলা হয়। যে সকল মানুষ দীর্ঘ মেয়াদের সন্তান না চাইলে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা ইঞ্জেকশন এর মত পদ্ধতি নেওয়ায় ভালো। এই সকল পদ্ধতি গ্রহণের পর বেশ কয়েক বছর আপনার কোন ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই আপনি বেবি কনসেপ্ট করবেন না সেজন্য দীর্ঘমেয়াদি এই পরিকল্পনা করা অনেক ভালো।তবে এই সকল পিল খাওয়ার নিয়মের মধ্যে কিছু কিছু সময় খাওয়া যাবে না যেমন যারা এরই মধ্যে গর্ভধারণ করেছেন তারা ১২০ ঘন্টা পার হয়ে গেলে বা ঘনঘন খাবেন না। 

এই ধরনের বিল ইমার্জেন্সি হিসেবে থাকলেও এর কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে যা গর্ভধারণ ব্যক্তিদের অনেক বেশি ক্ষতি করে এবং তাদের বাচ্চার নানারকম ক্ষতি হয়ে যায় সেজন্য সতর্ক হতে হবে এবং এ সকল বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। পিল অনেক রকম রয়েছে এক একটা মানুষ এক এক রকম পিল পছন্দ করেন এবং তারা সেই সকল পিলের সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করতে থাকেন। যেমন রয়েছে ফেমিকন এটার কিছু নিয়ম রয়েছে খাওয়ার এবং অন্য পিলের থেকে এটা খাওয়ার নিয়ম আলাদা। যে সকল মানুষ এই বিলটি খেতে পছন্দ করে তারা এই পিলের নিয়ম অনুযায়ী চলতে থাকে এবং এটা নিয়মিত খেতে হয়। 

ইমকন ওয়ান নোরেক্স ইত্যাদি রকমের বিল রয়েছে যেগুলো খাওয়ার আলাদা আলাদা নিয়ম রয়েছে। তবে এ ধরনের পিল যদি আপনি অতিরিক্ত ব্যবহার করেন তবে পরে আপনার বেবি কনসিভ হতে প্রবলেম হতে পারে। তাই আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনাকে পিল গ্রহণ করা উচিত। অতিরিক্ত পিল সেবনের মাধ্যমে মাথাব্যথা বমি ভাব শরীরে ব্যথা জরায়ুতে সমস্যা কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

সেজন্য যখন আপনি এ ধরনের পিল সেবন করবেন তখন অতিরিক্ত পানি এবং কিছু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে তাহলে আপনার শরীরের ঘাটতিটি পূরণ হতে পারে। সেজন্য আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটে আসুন। সেজন্য আমরা যে সকল ওষুধের নাম গুলো আমাদের ওয়েবসাইটে দিয়েছি এগুলো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিহীন আপনি যেকোন ফার্মেসিতে এই সকল ওষুধ গুলো পাবেন এবং সঠিক সময়ে গ্রহণ করতে পারবেন। এই সকল সঠিক তথ্যগুলো গ্রহণ করে সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন।

 

আরো দেখুন

সম্পর্কিত লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *