ওষুধ খাওয়ার নিয়ম

পেশারের ওষুধ খাওয়ার নিয়ম

মানুষের স্বাভাবিক জীবনে স্বাভাবিকভাবে চলাচলের মধ্য দিয়েও নানা রকম রোগ নিরবভাবে শরীরে বসবাস করে এবং নীরবভাবেই শরীরকে আক্রান্ত করে নানা রকম ক্ষতিও করে। এমন একটি রোগ হচ্ছে প্রেসার যা উচ্চ হলেও সমস্যা এবং নিম্ন হলেও সমস্যা। আমরা আজ আপনাদের আমাদের ওয়েবসাইটে প্রেসারের সমস্যা নিয়ে কিছু কথা বলব যেগুলো জানা আপনাদের খুবই প্রয়োজন এবং যেগুলো জানা থাকলে আপনার প্রেসার হলে আপনি তার সমাধান খুঁজে পাবেন। প্রেসারের নরমাল রেট হচ্ছে 80/120 

এই স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যে প্রেসার যদি কোন ব্যক্তির থাকে তাহলে সে মানুষটি ঠিক আছে তার কোন সমস্যা নেই কিন্তু যদি কারো প্রেসার 120 এর ওপরে থাকে তাহলে তার হাই প্রেসার হয় এবং যদি 80এর নিচে থাকে তাহলে তার লো প্রেসার হয়। এখন এই দুইটার মধ্যেই নানা রকম সমস্যা দেখা দেয় যখন মানুষের উচ্চ রক্তচাপ হয় তখন মানুষের নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। উচ্চ রক্তচাপ হলে মানুষের স্ট্রোক প্যারালাইসিস হার্ট অ্যাটাক কিডনিতে ব্যথা ব্রেনের সমস্যা অন্ধুত্য ইত্যাদি দেখা দেয়। তাই প্রতিটা মানুষের প্রেসারের ওপর বিশেষ নজর রাখতে হয় এবং যখনই তাদের উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয় তখন সতর্কভাবে চলাচল করতে হয়। কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো উচ্চ রক্তচাপ হতে সহায়তা করে এবং যেগুলো খেলে খুব দ্রুত প্রেসার বেড়ে যায় এবং মানুষের দ্রুত ক্ষতি করে ফেলে। 

যেমন কাচা লবণ শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তাদের কাঁচা লবণ কোন সময় খাওয়া উচিত নয় তাহলে তাদের প্রেসার তাৎক্ষণাৎ বেড়ে যায় এবং ক্ষতি করে। আবার যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তারা যদি স্যালাইন খায় তাহলে তাদের প্রেসার খুব দ্রুত বেড়ে যায় সেজন্য উচ্চ রক্তচাপ যাদের রয়েছে তাদের লবণ স্যালাইন ডাবের পানি এগুলো খাওয়া একেবারে নিষেধ। আবার যে সকল মানুষের নিম্ন রক্তচাপ রয়েছে তাদের শরীরের রক্ত চাপ খুবই কম। যখন একটি শরীরে রক্তচাপ কম হয় তখন তার মৃত্যুর ঝুঁকি আরো বেড়ে যায় সেজন্য নিম্ন রক্তচাপের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে এবং সতর্ক থাকতে হবে। 

যখন কোন ব্যক্তি নিম্নরক্তচাপ হবে তখন তাকে সিদ্ধ ডিম স্যালাইন লবন খাওয়ায় তার পেশাটি স্বাভাবিক এ আনতে হবে তা না হলে সে মানুষটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থেকে যাবে। তবে এ সকল সমস্যার জন্য রয়েছে চিকিৎসার ব্যবস্থা। আপনি যখন ডাক্তারের কাছে যাবেন তখন ডাক্তার আপনার শরীর অনুযায়ী পেশার পরীক্ষানিরীক্ষা করবে এবং তারপরে ওষুধ প্রেসক্রাইব করে দিবেন। আপনাকে এমন কিছু ওষুধ দেয়া হবে যেগুলো খেলে আপনি উচ্চ রক্তচাপ বা নিম্ন রক্তচাপের মাঝামাঝি অবস্থায় থাকবেন যাকে আমরা বলি নরমাল। 

যখন আপনি নরমাল অবস্থায় থাকবেন তখন কিছু খাবার পরিহার বা মেনটেন করে চললে আপনি প্রেসার থেকে মুক্তি পাবেন। তবে প্রেশার একেবারে ভালো হয় না এটার জন্য দীর্ঘদিন ওষুধ খাওয়া প্রয়োজন। যখন আপনি অনুভব করবেন যে আপনার পেশার সমস্যা হচ্ছে তখন আপনার ঘাড়ের রগ টেনে ধরবে মাথা ঘুরবে। প্রেশার নানা রকম কারণে হয়ে থাকে মানুষের যারা অতিরিক্ত টেনশন করে এবং যারা ডিপ্রেশনে থাকে তাদের বেশি প্রেসার হয়। যাদের খাবারের মধ্যে সমস্যা থাকে যেমন খাবার খায় কিন্তু রক্তের পরিমাণ বাড়ে না তাদের জন্য লো প্রেসারের আশঙ্কা থাকে। 

তাই স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে হলে খাদ্য থেকে শুরু করে প্রতিটি জিনিসই শরীরের জন্য অনেক বেশি প্রয়োজনীয়। তবে প্রেশার হলে আপনাকে কিছু নিয়ম নীতি মেনে চলতে হবে যেগুলো না মানলে আপনি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। অতিরিক্ত প্রেসারে বা অতিরিক্ত কম প্রেসারে এ মানুষের মৃত্যু হয় তাই ডাক্তারের পরামর্শ মত নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে এবং নিয়মিত ডাক্তারের চেকআপের মধ্যেই থাকতে হবে তাহলে আপনি প্রেসার হলেও  সুস্থ থাকতে পারবেন। প্রেশার থেকে মানুষের নানা রকম বড় বড় রোগ হয়ে যায় যার ফলে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ মানতে হবে।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *