ওষুধের ব্যবহার

সালবিউটামল সিরাপ এর কাজ কি

আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটে আসলে এবার জানতে পারবেন সালবিউটামল সিরাপের কাজ সম্পর্কে। এই সিরাপটি সাধারণত বিটা ২ আগোনিস্ট নামক ড্রাগ গুলির একটি সদস্য। এই ওষুধটি হাঁপানি সম্পর্কিত উপসর্গ গুলির জন্য ব্যবহার করা হয় তবে এটি ডেলিভারি বিলম্বিত করতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যায়াম এবং শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য অবস্থার কারণে এটি হাঁপানি লক্ষণ গুলি প্রতিরোধ করার জন্য খুব দরকারি। 

অনেক সময় যে সকল মানুষগুলো নিয়মিত ব্যায়াম করে এবং তখন তাদের হাঁপানের মত সৃষ্টি হয় বা শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায় এই সময় যদি আপনারা এই সিরাপটি ব্যবহার করেন তাহলে ব্যায়ামের সময় হাঁপানি সৃষ্টি হবে না। আবার অনেক সময় ছোট বাচ্চাদের ও নানারকম হাঁপানির বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে আপনারা যদি এই সিরাপ টি ব্যবহার করেন তাহলে এই সকল সমস্যা থেকে খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবেন। 

এ সকল ওষুধগুলো সম্পর্কে জেনে রাখা অনেক ভালো কারণ হঠাৎ করে যদি কোন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে যেতে সেই মানুষটি আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে তবে যদি আপনি এ সকল ওষুধগুলো সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে থাকেন তাহলে প্রাথমিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিকে কিছুটা স্বাভাবিক করতে পারবেন। সেজন্য প্রতিটা মানুষের উচিত প্রতিটা ওষুধ সম্পর্কে সামান্য পরিমাণের কিছু জ্ঞান অর্জন করা তাহলে যেকোন বিপদের সময় খুব তাড়াতাড়ি সমাধান পাওয়া যাবে। 

সালবিউটামল সিরাপের পাশাপাশি এটা ইনহেলারও পাওয়া যায়। যে সকল মানুষের হাঁপানের সমস্যা রয়েছে বা হাঁপানি রয়েছে তারা এই ইনহেলার টি সব সময় কাছে রাখতে পারে। এই ইনহেলার টি অনেক বেশি ভালো কাজ করে যার জন্য ছোট বড় সবাই ব্যবহার করতে পারে। সালবিউটামল রিভার্সেবল এয়ারওয়ে অবস্ট্রাকশন এ খুব তাড়াতাড়ি ব্রংকোডাইলেটেশন করে যা চার থেকে ছয় ঘন্টা স্থায়ী হয়। এছাড়াও এর মাস্ট সেলের ওপর এন্টি ইনফ্লামেটরি ইফেক্ট এর জন্য ইহা ব্রংকোকনস্টিকটর মেডিয়েটার যেমন হিস্টামিন নিউট্রোফিল ইত্যাদি নিঃসরণকে বাধা প্রদান করে। 

তাই আপনি যদি এই ওষুধটি ব্যবহার করেন তাহলে এই সকল সুবিধা গুলো পাবেন এবং আরো কিছু অসুবিধা রয়েছে যেগুলো আপনাকে মানতে হবে। সবার প্রথমে আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে কারণ অন্য কারো পরামর্শ অনুযায়ী যদি আপনি ওষুধ সেবন করেন তাহলে আপনার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে বা নানা রকম সমস্যা হতে পারে সেজন্য সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ হতে ওষুধ গ্রহণ করতে হবে। এই ওষুধটি প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু উভয়ে সেবন করতে পারবেন তবে নিয়ম করে ওষুধ সেবন করতে হবে যদি আপনি নিয়ম মেনে না ওষুধ সেবন করেন তাহলে খুব তাড়াতাড়ি ওষুধ আপনার কাজ করবে না। 

সেজন্য সব সময় আপনাকে নিয়মিত বা নিয়ম মেনে ওষুধ সেবন করতে হবে। প্রতিটা ওষুধেরই কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে যেমন আপনি যদি এই ওষুধটি নিয়ম করে না খান তাহলে আপনার হাঁপানির সমস্যাটা থেকে যাবে। আবার এ সকল ওষুধ যদি আপনি অতিরিক্ত সেবন করেন তাহলে যে সকল সমস্যার জন্য আপনারা ওষুধ খাবেন সেই সকল সমস্যার আর সমাধান মিলবে না মানে আপনি যত বেশি ওষুধ খাবেন তত বেশি ওষুধ কাজ করা বন্ধ হয়ে যাবে। 

সেজন্য পরিমাণমতো ওষুধ আপনাকে সেবন করতে হবে। অনেক সময় সামান্য একটু অস্থিরতা দেখা দিলেই অনেকেই এই ওষুধ খেয়ে থাকে এটা তাদের জন্য ক্ষতিকর কারণ অল্প সমস্যা তে এই সকল ওষুধ না খাওয়াই ভালো।যে সকল মানুষের হার্টের সমস্যা রয়েছে তাদের সব সময় এ ধরনের ওষুধ কাছে রাখা উচিত কারণ তারা অল্পতেই হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের মধ্যে চলে যায় নিঃশ্বাস নিতে পারে না সেজন্য সতর্কতা অবলম্বন করা খুব বেশি প্রয়োজন। অনেক সময় স্কুল ছাত্রী বা ছাত্ররাও এই ধরনের সমস্যায় ভোগে তারাও এই ওষুধগুলো ব্যবহার করতে পারবে। তাই নিয়মিত যারা শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভুগছেন তারা দেরি না করে এই ওষুধটি সেবন করতে পারেন এবং দেখবেন খুব তাড়াতাড়ি আরাম পাবেন এবং ভালো থাকতে পারবেন।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *